
শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩
জয়পুরহাটে কিডনি পাচার চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার
Home Page » সংবাদ শিরোনাম » জয়পুরহাটে কিডনি পাচার চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তারজয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় মানুষের কিডনি পাচার চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বহুতি গ্রাম থেকে চক্রের মূল হোতা আব্দুস সাত্তার ও সহযোগী মিজানুরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২০১১ সালেও এ চক্রটির বিরুদ্ধে কিডনি বেচাকেনার অভিযোগ উঠেছিল। মামলাও হয়। কিন্তু পরে বিষয়টি চাপা পড়ে যায়।
কালাই থানার ওসি রমজান আলী বলেন, আব্দুস সাত্তারসহ ওই চক্রের ১০ সদস্যকে অবৈধভাবে কিডনি বেচা-কেনার অপরাধে এক মামলায় ২০১১ সালের ২৯ অগাস্ট গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারও একই কাজ শুরু করে।
ওসি আরো জানান, গ্রেপ্তার দুইজনসহ তাদের আরো আটজন সহযোগীর বিরুদ্ধে মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পাচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের কার হয়েছে। পুলিশ আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
২০১১ সালে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় দরিদ্র মানুষের কিডনি বেচাকেনা নিয়ে সারাদেশে ব্যাপক আলোচনা হয়।
তখন প্রকাশিত হয়- কালাই উপজেলার ১৮টি গ্রামের অভাবী মানুষদের সরলতার সুযোগ নিয়ে একটি দালাল চক্র প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষকে কিডনি বিক্রিতে প্রলুব্ধ করে লাখ লাখ টাকার ব্যবসা করেছে।
ওই বছরই কালাই থানার ওসি ফজলুল করিমের নেতৃত্বে গত ২৮ অগাস্ট কিডনি পাচার চক্রের স্থানীয় তিন দালালকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে ২৯ অগাস্ট কালাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নৃপেন্দ্রনাথ ঘোষ বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।
এরপর কয়েকদফায় পুলিশ পাচারকারী মূল হোতাসহ এ চক্রের ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে। এরমধ্যে এজাহারভুক্ত আসামি রয়েছেন সাতজন। ছয়জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
জবানবন্দিতে তারা এ চক্রের সঙ্গে জড়িত দেশের বেশ কয়েকজন চিকিৎসক ও কয়েকটি নামিদামি হাসপাতালের নাম ফাঁস করে দেয়। এসব ঘটনা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারও হয়।
বাংলাদেশ সময়: ২০:৩৭:২০ ৪৪০ বার পঠিত