
স্টাফ রিপোর্টার, সাভার: আশুলিয়ায় রিয়াদ মোল্লা ও তার সহযোগীদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ।
এক সময় ধামসোনা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এর ক্যাডার বাহিনী থাকা অবস্থায় এলাকায় গড়ে তোলেন অপরাধের সাম্রাজ্যে।পরবর্তীতে মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ঢাকা ১৯ আসনের এমপি হওয়ায় রিয়াদ মোল্লা হয় তার ঘনিষ্ঠ লোক। এলাকায় দাপিয়ে বেড়াতেন তিনি।সৈরাচার আওয়ামিলীগ সরকারের পতনের পরে রিয়াদ মোল্লা কিছুদিনের জন্য আত্মগোপনে চলে গেলেও সুযোগ বুঝে আবার তার বাহিনীর সদস্য রিয়াল ও তামিম কে সাথে নিয়ে বিভিন্ন অপকর্মে চালিয়ে যাচ্ছেন।এলাকায় ঝুট ব্যবসা নিয়ে বেশ কয়েকবার অস্ত্র সহ মহড়া দেন তিনি।
তবে আশুলিয়া থানা যুবলীগ নেতা মঈনুল ভুইঁয়ার অস্ত্রধারী ক্যাডার বাহিনীর প্রধান ছিলেন ইয়াসিন। বর্তমানে ইয়াসিন নিজেই গড়ে তুলেছেন একটি বাহিনী। তাদের কাজ চাঁদাবাজি থেকে শুরু করে সব ধরনের অপকর্মে লিপ্ত থাকা।তাদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় ইতিমধ্যে একাধিক মামলা রয়েছে।

রিয়াদ মোল্লার সহযোগীদের নামে আশুলিয়া থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। গত ২০ তারিখ আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় চাঁদাবাজির সময় পুলিশের হাতে পাঁচ জন আটক হয়।
এর আগে নামাবাজার এলাকায় একজন ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেন রিয়াদ মোল্লা ও তার সহযোগীরা। জীবন মৃত্যুর সন্নিকটে সময় কাটছে সেই ব্যবসায়ীর।
আশুলিয়ার সোম্বার পাম্পের পাশের একটি রেষ্টুরেন্টে রিয়াদ মোল্লা ও তার সহযোগীরা ভাঙচুর ও হোটেল মালিককে মারধর করে।
তাদের ভয়ে আতংকে থাকেন পোশাক কারখানার শ্রমিকসহ সাধারণ ব্যবসায়ীরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন,বিএনপির কিছু নেতার ছত্রছায়ায় বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত আছেন তিনি। তার ভয়ে কথা বলতে সাহস দেখান না কেউ। তিনি সব জায়গায় বলেন পুলিশের বড় কর্মকর্তাকে হাতে রেখেই তার চলাচল।
জানা যায়, সাবেক এমপি দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবুর চাচাতো ভাই আসকর দেওয়ান ও তার বোন জামাই পাষানের ছত্রছায়ায় আওয়ামীলীগের সাবেক এমপি সাইফুল ইসলামের ক্যাডার বাহিনী রিয়াজ মোল্লা, রিয়াল, তামিম, চাঁদাবাজী ডাকাতি, ছিনতাই, মার্কেট দখল সহ না অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে।
রিয়াদ মোল্লার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এই বিষয়ে কথা বলতে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে তার মুঠোফোনে ফোন দিলে বন্ধ পাওয়া যায়।